মুক্তাগাছার মন্ডা

750 Tk 850 Tk

মুক্তাগাছার মন্ডা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার একটি বিখ্যাত মিষ্টি। রাম গোপাল পাল ১৮২৪ সালে এই মিষ্টি প্রথম তৈরি করেন।

১২৩১ বঙ্গাব্দে(১৮২৪ খ্রিঃ)রাম গোপাল পাল এই মিষ্টি তৈরি করে মুক্তাগাছার বড় জমিদারদের মধ্যে একজন মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর নিকট পেশ করেন। বর্তমানে শ্রী রামেন্দ্রনাথ পাল ভ্রাতৃদ্বয় ব্যবসা চালান। তারা গোপাল পাল পরিবারের পঞ্চম বংশধর। রামেন্দ্রনাথ বলেন, জমিদার বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। সেখানে আগত অতিথিদের মন্ডা দিয়েই আপ্যায়ন করা হতো।

মুক্তাগাছার মন্ডা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার একটি বিখ

- +
More than 10 pieces in stock
Delivery August 10, 2021

মুক্তাগাছার মন্ডা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার একটি বিখ্যাত মিষ্টি। রাম গোপাল পাল ১৮২৪ সালে এই মিষ্টি প্রথম তৈরি করেন।

১২৩১ বঙ্গাব্দে(১৮২৪ খ্রিঃ)রাম গোপাল পাল এই মিষ্টি তৈরি করে মুক্তাগাছার বড় জমিদারদের মধ্যে একজন মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর নিকট পেশ করেন। বর্তমানে শ্রী রামেন্দ্রনাথ পাল ভ্রাতৃদ্বয় ব্যবসা চালান। তারা গোপাল পাল পরিবারের পঞ্চম বংশধর। রামেন্দ্রনাথ বলেন, জমিদার বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। সেখানে আগত অতিথিদের মন্ডা দিয়েই আপ্যায়ন করা হতো।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওস্তাদআলাউদ্দিন খাঁ,পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু প্রমুখ ব্যাক্তিদেরকে মুকাতগাছার জমিদার বাড়িতে আপ্যায়ন করা হয়েছে এই মণ্ডা দিয়ে। রাশিয়ার জোসেফ স্তালিনকে মণ্ডা পাঠালে তিনি মুগ্ধ হয়ে প্রশংসা করেন এবং পাকিস্তানের আইয়ুব খান একে “পূর্ব পাকিস্তানকা মেওয়া“ বলতেন। আবদুল হামিদ খান ভাসানী মণ্ডার স্বাদে বিমুগ্ধ হয়ে তিনি চীনের মাও ৎসে-তুং এর জন্যও নিয়ে গিয়েছিলেন। মাও ৎসে-তুং এর স্বাদের প্রশংসা করেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও এর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী, দ্বিতীয় এলিজাবেথ কেও আপ্যায়ন করা হয়েছে মণ্ডা দিয়ে।

Ratings and Reviews

Average user rating

0/5

5
100% Complete (success)
0
4
80% Complete (primary)
0
3
60% Complete (info)
0
2
40% Complete (warning)
0
1
20% Complete (danger)
0

This is refund policy details